Welcome to Roar Media's archive of content published from 2014 to 2023. As of 2024, Roar Media has ceased editorial operations and will no longer publish new content on this website.
The company has transitioned to a content production studio, offering creative solutions for brands and agencies.
To learn more about this transition, read our latest announcement here. To visit the new Roar Media website, click here.

অপারেশন নাট ক্র্যাক: আখাউড়া উদ্ধারে যৌথ অপারেশন

৩ নং সেক্টরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রণাঙ্গন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া। ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলা থেকে মাত্র মাইল তিনেক দূরে অবস্থিত আখাউড়া। উত্তরে আশুগঞ্জ, দক্ষিণে কুমিল্লার সাথে এই জংশনের যোগসূত্র ছাড়াও এই স্থানটি অনেক কারণে গুরুত্বপূর্ণ। পাকসেনারা তাই শক্ত ঘাঁটি করে দখলে রেখেছে এই জংশনকে কেন্দ্র করে।

article

সাইমন ড্রিং: কলম ও ক্যামেরায় মুক্তিযুদ্ধের এক অকৃত্রিম বন্ধুর গল্প

তিনি সিদ্ধান্ত নেন, হোটেলেই কোথাও রাতটুকু লুকিয়ে থাকবেন। বাঙালি কর্মীরা তাকে আড়াল করতে এবং সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। একজন বাঙালি কর্মকর্তা তাকে অবহিত করেন যে, তার মতো আরও একজন ব্যক্তি লুকিয়ে ছিলেন। তিনি ছিলেন অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস নিউজ এজেন্সির (এপি) ২৪ বছর বয়সী ফরাসি ফটো সাংবাদিক মিশেল লরেন্ট।
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পরদিন ছিল সাইমনের ২৮ তম জন্মদিন। তিনি অবস্থান করছিলেন একটি আন্তঃমহাদেশীয় হোটেলে। বঙ্গবন্ধু তাকে চমক দিতে সেই হোটেলে জন্মদিনের একটি কেক পাঠিয়ে দেন। এমন চমকে সাইমন ড্রিং রীতিমতো আপ্লুত হয়ে যান।

article

ব্যাটল অফ কামালপুর (পর্ব ১): দ্য ফার্স্ট স্ট্রাইক

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর প্রতীক থেকে শুরু করে বীরশ্রেষ্ঠ পর্যন্ত পদক পেয়েছেন ৬৭৬ জন। আর এদের মধ্যে ২৯ জন পেয়েছেন কেবল কামালপুর (জামালপুর জেলা) যুদ্ধের জন্যই। কী হয়েছিল সেখানে?

article

কুমিরা অ্যামবুশ: বিপর্যয়ের মুখে পাকিস্তানি ফ্রন্টিয়ার ফোর্স

চট্টগ্রামের দিকে ধেয়ে আসছে একটা শত্রু ব্রিগেড। মর্টার, আর্টিলারি সাপোর্ট আছে তাদের। এদিকে ১০২ জন যোদ্ধা নিয়ে এক বাঙালি ক্যাপ্টেন ছুটলেন তাদের থামাতে। অ্যামবুশের ফাঁদ পাতা হলো। তারপরের ঘটনা ইতিহাস! শত্রু সেনাদের একটা সম্পূর্ণ কোম্পানিই ধ্বংস করে দিল বাঙালি সেনারা।

article

বেনাপোল স্ট্রংহোল্ড: শত চেষ্টা করেও যে এলাকা দখলে নিতে পারেনি পাকবাহিনী

১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী সারা দেশের নিয়ন্ত্রণ নিলেও, বেনাপোল স্থলবন্দরের (ভারতের বনগাঁ সংলগ্ন) ২ বর্গকিমি এলাকা দখল করতে পারেনি। পাকিস্তানিদের তীব্র হামলা সহ্য করে বেনাপোল মুক্তিবাহিনির এক stronghold এ পরিণত হয়। অস্থায়ী সরকার থেকে শুরু করে বিদেশী কূটনৈতিক বা সাংবাদিকরা বেনাপোল দিয়েই বাংলাদেশের ভূমি পরিদর্শনে আসতেন।

article

ব্যাটল ফর মিরপুর: দ্য লাস্ট ব্লাড অফ ফ্রিডম

মিরপুর স্বাধীন হয়েছিল বাংলাদেশ স্বাধীন হবার ৪৫ দিন পর। পাক বাহিনীর দোসর বিহারি এবং দলছুট পাকসেনারা অস্র নিয়ে মিরপুরকে রীতিমত ঘাঁটি বানিয়ে রেখেছিল। ১৯৭২ সালের এই দিনে অর্থাৎ ৩০শে জানুয়ারি মিরপুর স্বাধীন করতে এগিয়ে আসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২,৪ এবং ৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট। তারপর এক ভয়াবহ close quarters combat এর সম্মুখীন হয় সেনাবাহিনী।

article

চিলমারী রিভার ক্রসিং অ্যাম্ফিবিয়াস রেইড: ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেয়ার সাথে তুলনীয় যে অভিযান

২য় বিশ্বযুদ্ধে নরম্যান্ডি ল্যান্ডিংয়ের মতো একটি উচভর অপারেশন চালিয়েছিল মুক্তিবাহিনীও। ৫ কিমি খরস্রোতা নদী কাঠের নৌকায় পাড়ি দিয়ে শত্রুর পজিশনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মুক্তিসেনারা।

article

নাপাম বোমা যেদিন পড়েছিল আমাদের বাংলাদেশে

ভিয়েতনামে আমেরিকানদের নাপাম হামলায় জীবন্ত মানুষের জ্বলে মরার ঘটনা বিশ্ববাসি অনেকবারই দেখেছে। ব্যাপক পরিসরে না হলেও নাপাম বোমা ব্যাবহার হয়েছিল বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধেও! ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বিধ্বংসী এই বোমা ফেলেছিল বাংলাদেশেও!

article

ডাকটিকেটের কূটনীতি: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের প্রথম আটটি ডাকটিকেট

আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানের জন্য ব্যাপারটি নাক কাঁটা যাবার অবস্থা। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘আন্তর্জাতিক পোস্টাল ইউনিয়ন’ এর কাছে জানানো হয় যে এই ডাকটিকেটের সাথে কোনো দেশের সংযুক্তি নেই, এটি ভিত্তিহীন। বাংলাদেশের অল্প কিছু মুক্তাঞ্চল ছিলো, সেই এলাকায় থাকা পোস্ট অফিসগুলোকে প্রমাণ হিসেবে দেখানো হয় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। যদিও বাংলাদেশের ডাক যোগাযোগ ততদিনে ভেঙে পড়েছে, ধরতে গেলে কোনো অবকাঠামোই মুক্তাঞ্চলে কাজ চলার মতো অবস্থায় নেই। তারপরেও এই ডাকটিকেট ইউরোপীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে কূটনৈতিক, সংগ্রাহক, প্রবাসী বাঙালী এবং ভারতীয়দের হাতে হাতে।

article

End of Articles

No More Articles to Load