Welcome to Roar Media's archive of content published from 2014 to 2023. As of 2024, Roar Media has ceased editorial operations and will no longer publish new content on this website.
The company has transitioned to a content production studio, offering creative solutions for brands and agencies.
To learn more about this transition, read our latest announcement here. To visit the new Roar Media website, click here.

সৌদি আরব কি ওয়াহাবিজম থেকে সরে আসছে?

১৮ শতকে অটোমান সাম্রাজ্যের হিযাজ ও নজদ প্রদেশে শেখ মোহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহাবের হাত ধরে উত্থান ঘটে ওয়াহাবিজমের। অটোমান সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগে ওয়াহাবিজম মতাদর্শে বিশ্বাসী নজদ প্রদেশের এক গোত্র প্রধান মোহাম্মদ ইবনে সৌদ হিযাজ ও নজদ প্রদেশ দখল করে গোত্রীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ওয়াহাবিজম পায় রাষ্ট্রীয় বা রাজনৈতিক ভিত্তি।

অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের পরবর্তী ব্রিটিশ ও ফরাসি উপনিবেশিক শাসনের পরও গোত্রীয় শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় মধ্যপ্রাচ্যে, যা বর্তমানে সৌদি আরব, কুয়েত, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ইত্যাদি দেশে চলমান। ১৯৩২ সালে আব্দুল আজিজ বিন মোহাম্মদ আল সৌদের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয় আধুনিক সৌদি আরব রাষ্ট্রের। তিনি ছিলেন ওয়াহাবি মতাদর্শের একজন পণ্ডিত ও ইমাম। শুরু থেকেই শেখ মোহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহাবের প্রচারণায় নজদ প্রদেশের আশেপাশে বিস্তৃতি ঘটে ওয়াহাবিজমের। পরবর্তীতে সৌদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় তারই আধ্যাত্মিক নির্দেশনায়।

২০১৫ সালে ক্ষমতায় আসেন বাদশাহ সালমান। ২০১৭ সাল থেকে সৌদি আরবের ডি-ফ্যাক্টো শাসক হিসেবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হন ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান, সংক্ষেপে এমবিএস। তার সময়ে সৌদি আরব বিভিন্ন সংস্কারের মধ্য দিয়ে যায়, ওয়াহাবিজম থেকে সৌদি আরব যায় মধ্যপন্থী ইসলামের দিকে। এ বছরের এপ্রিলে সৌদি টিভি ইন্টারভিউয়ে প্রিন্স সালমান বলেন, সৌদি আরব ইসলামি ও আরব ঐতিহ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত। তিনি বলেন, শেখ মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব যদি এখন কবর থেকে উঠে এসে এই অবস্থা দেখেন, তাহলে তিনিই প্রথম হবেন যিনি এর (ওয়াহাবিজম) বিরোধিতা করবেন। ২০১৮ সালে ওয়াশিংটন পোস্টের কাছে এমবিএস স্বীকার করেন, স্নায়ুযুদ্ধকালে সৌদি আরব পশ্চিমাদের পক্ষে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলায় মুসলিম দেশগুলোতে ওয়াহাবিজম প্রচার করেছিল। সেখানে তিনি সৌদি আরবকে সংস্কার ও মডারেট ইসলামের দিকে নিয়ে যাবেন বলেন। এমবিএসের নেতৃত্বাধীন সৌদি আরব কি তাহলে ওয়াহাবিজম থেকে সরে যাচ্ছে? 
শেখ মোহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহাব; Image Source: Noema Magazine

ওয়াহাবিজম

ওয়াহাবিজম হচ্ছে ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন বা সুন্নি ইসলামের একটি শাখাগোষ্ঠী যা ধর্মের দিক থেকে অতিচরমপন্থী, বিশুদ্ধবাদী, একেশ্বরবাদী উপাসনার জন্য ইসলামী পুনর্জাগরণে বিশ্বাসী। ১৮ শতকে অটোমান সাম্রাজ্যের হিযাজ ও নজদ প্রদেশে শেখ মোহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহাব কর্তৃক প্রচারিত মতবাদ হচ্ছে ওয়াহাবিজম। শেখ ইবনে আবদুল ওয়াহাব মনে করতেন তৎকালীন সমাজে ইসলাম দূষিত হয়ে গেছে, মূর্তিপূজায় ছেয়ে যাচ্ছে। তিনি কোরআন ও হাদিসের কঠোরভাবে অনুসরণ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মুসলিমদের এক আল্লাহর উপর বিশ্বাসের উপর জোর দিয়ে মাজারপূজা, কবরে তীর্থযাত্রা, এবং সূফী ও ধর্মীয় নেতাদের পূজাকে প্রত্যাখ্যান করেন। 
ওয়াহাবিজম মূলত সুন্নি মতাদর্শের একটি শাখা হিসেবে দেখা হয়। সুলতান দ্বিতীয় সেলিম বাগদাদ জয় করলে অটোমান সাম্রাজ্যই মধ্যপ্রাচ্যে তথা বিশ্বে একটি বড় সাম্রাজ্যে পরিণীত হয়, যারা ছিল মূলত সুন্নি। শেখ ইবনে আবদুল ওয়াহাব অটোমান সাম্রাজ্যের সময়ে মুসলিমদের মধ্যে মাজারপূজা, কবর তীর্থযাত্রা ও সূফীবাদের প্রসার লক্ষ্য করেন। তিনি এগুলোর বিরোধী যে মতবাদ প্রচার করেন তা পরবর্তীতে তার নামানুসারে ‘ওয়াহাবিজম’ নামে পরিচিতি পায়। 
মোহাম্মদ ইবনে সৌদ প্রথম সৌদি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা করেন; Image source: Arab News

ওয়াহাবিজমের মৌলিক বৈশিষ্ট্য

ওয়াহাবিজম মতাদর্শের রয়েছে নির্দিষ্ট পার্থক্যকারী মৌলিক বৈশিষ্ট্যপ্রথমত, সর্বশক্তিমান আল্লাহর একত্ববাদের উপর বিশ্বাস। কেউ আল্লাহর একত্ববাদের অস্বীকার করলে সে জীবন ও সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে। দ্বিতীয়ত, কোরআন ও হাদিসের কঠোরতর অনুসরণ। কোরআনের বিরোধিতা করা যাবে না, কোরআনের আয়াত নিয়ে কোনো মন্তব্য করা অবিশ্বাসের নামান্তর। তৃতীয়ত, কবরকে ঘিরে সমাধিসৌধ বা কোনো ব্যক্তির কবর, মাজার বানানো যাবে না এবং জিয়ারত নিষিদ্ধ করতে হবে। কাফেরদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ তারা ইসলাম ধর্ম এবং মুসলিমদের বিপথগামী করে। কোরআন, হাদিসের আলোকে শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যবস্থা করতে হবে, এবং ধর্মীয় শুদ্ধতার চর্চায় নমনীয়তার কোনো স্থান নেই। চতুর্থত, ব্যক্তিপূজা করা ইসলামে নিষিদ্ধ; কোনো পীর বা বুজুর্গ ব্যক্তির জন্য আলাদা সম্মান প্রদর্শনের সুযোগ নেই। পঞ্চমত, মদ বা নেশাদ্রব্য পান করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ, জনসংগঠন গড়ে তোলা যাবে না। সকল মুসলিমকে একসাথে নামাজ আদায় করতে হবে। ষষ্ঠত, গান শোনা যাবে না, নারীদের মাহরাম ছাড়া বাহিরে যাওয়া যাবে না। অবিবাহিত এবং সম্পর্কহীন পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে যেকোনো ধরনের মিথস্ক্রিয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ইত্যাদি। 
রাষ্ট্রীয় মদদে সৌদি আরব ওয়াহাবিজম প্রচার করে; Image source: Dawn
শেখ ইবনে ওয়াহাব ছিলেন কট্টরপন্থী। তিনি মনে করতেন, হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর সময়ের আদি ও অকৃত্রিম মৌলিক ইসলাম থেকে মানুষ সরে আসছে। মুসলিমদের শুরুর ইসলামে ফিরে যেতে হবে। তাই তিনি ইসলামে কোনো সংস্কার আনয়নের বিরোধী। শিয়া মতাদর্শীরা ইসলামে কোনো ব্যক্তিকে (আলী রা.-এর উত্তরাধিকার) বেশি গুরুত্ব দেয় বলে তিনি তাঁর বিরোধিতা করেন। 

প্রিন্স সালমানের সংস্কার ও ওয়াহাবিজম

মোহাম্মদ বিন সালমান বা এমবিএস ২০১৬ সালে সৌদি আরবের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য ‘ভিশন ২০৩০’ ঘোষণা করেন। সেই নিরিখে সৌদি সরকার বিভিন্ন সংস্কার আনয়ন করে। সাদ্দাম হোসেনের কুয়েত আক্রমণের পর লাখ লাখ আমেরিকান সৈন্য সৌদি আরবে নিয়ে আসা হয়েছিল যার মধ্যে ছিল ১০ শতাংশ নারী। এই নারীদের স্বাধীনভাবে চলাচল সৌদি নারীদের নিজেদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে স্পৃহা জাগায়। কিন্তু সৌদি সরকার তা দমন করতে সক্ষম হলেও এর বীজ উপড়ে ফেলা যায়নি। এমবিএসের সৌদি আরব নারীদের ড্রাইভিং করার অনুমতি দেয়, নারীরা একাই বাইরে ঘুরতে পারে, অবিবাহিত এবং সম্পর্কহীন পুরুষ ও নারীরা মিশতে পারে। যেখানে পুলিশ কারো গাড়িতে গান বাজলে তাকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতো, এমবিএস ক্ষমতায় আসার পরই পুলিশের ক্ষমতা খর্ব করেন। বর্তমানে গাড়ি, রেস্টুরেন্টে গান বাজানো যায়, আয়োজন হয় কনসার্ট। যেখানে স্পষ্টত ওয়াহাবিজম গান বিরোধী, সেখানে সৌদি আরবে বর্তমানে সিনেমা হল তৈরি হয়েছে।

ওয়াহাবিজম অনুযায়ী মসজিদে আযান দেয়ার পরই দোকানপাট বন্ধ করে একসাথে নামাজ পড়ার কথা বলা হয়, কিন্তু বর্তমানে তার বাধ্যবাধকতা উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। নির্মাণ হয়েছে মন্দিরও। এমবিএস সৌদি আরবকে একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ অর্থনীতি বানাতে চাচ্ছেন। নির্মাণ করছেন আধুনিক শহর। বৈদেশিক পর্যটক ও বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণের উপর সৌদি আরব চোখ রাখছে। নিওম শহরসহ অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ স্পটসমূহে, হোটেলে চালু করেছে মদ।

সিনেমা হলে সৌদি আরবের নারী। Image: BBC

ওয়াহাবিজম একটি রক্ষণশীল ও কট্টরপন্থী মতবাদ যা সৌদ গোত্রীয় শাসনের সাথে মিশে পায় রাজনৈতিক ও সামরিক সমর্থন, বেড়ে ওঠে সৌদি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়। সৌদি আরব তখন থেকেই ওয়াহাবি মতাদর্শীয় ইসলামের পৃষ্ঠপোষক, তেল সম্পদ থেকে প্রচুর আয় সৌদি আরবকে ওয়াহাবিজম প্রচারে সাহায্য করে। মুসলিম দেশসমূহে মসজিদে মসজিদে ওয়াহাবিজম প্রচার করে সৌদি আরব। কিন্তু প্রিন্স সালমান ভিশন ২০৩০, অর্থনৈতিক বৈচিত্রকরণের জন্য সৌদি আরবে যে সংস্কার আনয়ন করেন তা স্পষ্টতই ওয়াহাবিজমের মৌলিক বিশিষ্টের বিপক্ষে যায়। মোহাম্মদ বিন সালমান ওয়াশিংটন পোস্টে দেয়া ইন্টারভিউয়ে সৌদি আরবকে একটি মডারেট ইসলাম বা মধ্যপন্থী ইসলামে, ও সংস্কারের কথা বলেন, তখন অনেকেই একে মার্কেটিংয়ের লক্ষণ হিসেবে দেখেন। এ বছর এমবিএস এটাও বলেন যে, সৌদি আরব ওয়াহাবিজম নয়, বরং ইসলাম ও আরব ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে উঠেছে। তার মতে, ওয়াহাবিজম বা শেখ ওয়াহাব বিশ্বাস করতেন- কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ মর্যাদা দান, পূজা ইসলামে হারাম, তাই শেখ যদি কবর থেকে উঠে সৌদি আরবের ওয়াহাবিজম বিশ্বাস দেখেন, তাহলে তিনিই এর বিরোধিতা করেন।

ওয়াহাবিজম থেকে সরে আসার কারণ?

৯/১১ এর পর বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অন্যতম অংশীদার হয় সৌদি আরব। কিন্তু টুইন টাওয়ার হামলা, বিমান হাইজ্যাকের ১৯ জনের মধ্যে ৪ জন বাদে সবাই সৌদি আরবের নাগরিক ছিল। তাছাড়া সৌদি আরব হলো আল-কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেনের জন্মস্থান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও বিশ্বজুড়ে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের জন্য তার ওয়াহাবি মতাদর্শ ধারণ ও প্রচারকে ইঙ্গিত করে। বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ওয়াহাবিজম প্রচার সফল হয়, তবে বিনিময়ে সন্ত্রাস বৃদ্ধি পায়। ওয়াহাবিজমের কট্টরপন্থী ও গোঁড়ামী ধারণ করে বিশ্বে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করে আল কায়েদা, বোকো হারাম। সৌদি আরব ওয়াহাবিজমের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক হওয়ার কারণে দেশটির উপর দোষ যায়। বিন লাদেন সৌদি নাগরিক হলেও কুয়েত যুদ্ধকালীন সৌদি আরবে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি ওয়াহাবিজমবিরোধী বলে আন্দোলন করায় সৌদি আরব তাকে নির্বাসন দেয়। পরবর্তীতে মার্কিন চাপে সুদান তাকে বহিষ্কার করলে সৌদি আরব তাকে নিতে অস্বীকার করে, বিন লাদেন আশ্রয় নেন আফগানিস্তানে।

আমেরিকানদের কাছে ৯/১১ ও সৌদি আরব সমান এই ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়ে ওঠে; Image Source: USA Today

প্রিন্স সালমান সৌদি আরবকে আধুনিকায়নের ঘোষণা দেন। টিভি ইন্টারভিউয়ে তিনি মধ্যপ্রাচ্যকে আধুনিক ইউরোপ বানানোর কথা বলেন। সেই লক্ষ্যে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে তেল নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য আনয়নে জোর দেন। সৌদি আরব এর ব্যতিক্রম নয়। আধুনিকায়নের জন্য অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য যেমন প্রয়োজন, তেমনি সামাজিক সংস্কার প্রয়োজন। সামাজিক সংস্কারের দরুন সৌদি আরব ওয়াহাবিজম থেকে মডারেট ইসলাম গ্রহণ করেছে।

সৌদি আরব বিশ্বব্যাপী তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে। একদিকে সন্ত্রাসের তকমা সরাতে সৌদি আরবকে পদক্ষেপ নিতে হবে, অপরদিকে সুন্নি ইসলামী মতাদর্শী দেশসমূহে সৌদি আরবের প্রভাব বিস্তারের উপায় হচ্ছে ওয়াহাবিজম থেকে সরে আসা। এমবিএস যখন বলেন সৌদি আরব ইসলাম ও আরব ঐতিহ্যের দেশ, তখন স্বভাবতই পুরো মুসলিম বিশ্বের কণ্ঠস্বর উঠে আসে। ওয়াহাবিজম বললে এখানে অন্য সব শাখা, যেমন- সুন্নি, শিয়া বাদ পড়ে যায়। তাছাড়া সৌদি আরব মুসলিম বিশ্বে বিভিন্নভাবে ইসলামের প্রচারে অর্থায়ন করে যাচ্ছে।

সুতরাং, সৌদি আরবের সাম্প্রতিক সংস্কারসমূহ, প্রিন্স সালমান ও সৌদি অফিসিয়ালদের বক্তব্য দেশটির ওয়াহাবিজম থেকে সরে আসার ইঙ্গিতবাহী।

This article is written in Bangla about the disengagement of Saudi Arabia from Wahabism.
All references are hyperlinked inside the article.
Feature Image: The Washington Post

Related Articles