Welcome to Roar Media's archive of content published from 2014 to 2023. As of 2024, Roar Media has ceased editorial operations and will no longer publish new content on this website.
The business has since evolved into Obsidian, an integrated creative studio focused on delivering insight driven campaigns, brand work, and creative production for brands and agencies.
To learn more about this transition, read our latest announcement here. To visit the new Obsidian website, click here.

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে এই জয়ে খুশী হতে পারবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ?

  • সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে মাত্র ১১৫ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
  • আরব আমিরাতের লেগ স্পিনার ইমরান হায়দার শিকার করেন চার উইকেট।
  • নিকিতা মিলারের পাঁচ উইকেট শিকারে শেষ হাসি হাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
  • সংযুক্ত আরব আমিরাত মাত্র ৮৩ রানে সবকটি উইকেট হারায়।

দু’বছর আগে ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত তিনটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের সবকটি ট্রফি ঘরে তুলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অনুর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ, টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ এবং নারী টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ। এতে করে ক্রিকেটে তাদের হারানো জৌলুস ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা উঁকি দিয়েছিলো।

২০১৬ সালে তিনটি আইসিসি ট্রফি জয়ের পরেও ওয়ানডেতে টানা ব্যর্থতায় ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে অংশগ্রহণ করারও সুযোগ পায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং দুবার করে ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেটেও এখন পর্যন্ত নিজেদের জায়গা পাকাপোক্ত করতে পারেনি।

২০১৯ সালে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের টিকেট পেতে হলে আগামী ৪ঠা মার্চ জিম্বাবুয়েতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বাছাইপর্বের বাধা পার হতে হবে ক্রিকেটের জায়ান্ট এই দলের।
আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের মূল আসরকে সামনে রেখে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুটি ম্যাচেই ব্যাটসম্যানরা ছিলেন চরম ব্যর্থ।

ক্রিস গেইল, এভিন লুইস, মারলন স্যামুয়েলসদের নিয়ে গড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটিং লাইনআপ ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ১১০ রানে গুটিয়ে গেলে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ২৯ রানে পরাজিত হয়েছিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

গতকাল (১লা মার্চ) নিজেদের দ্বিতীয় এবং শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের  দুই বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান গেইল এবং লুইস শুরুটা অবশ্য মন্দ করেননি। উদ্বোধনী উইকেট জুটিতে ৩১ রান যোগ করার পর আরব আমিরাতের পেসার মোহাম্মদ নাভীদের এক ওভারেই দুইজন ফিরে যান।

পাকিস্তানের বংশোদ্ভূত আরব আমিরাতের অধিনায়ক রোহান মোস্তফা এবং ইমরান হায়দার মিলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং লাইনআপ গুড়িয়ে দেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ শেষ ৪৯ রান যোগ করতে আট উইকেট হারায়। রোহান মোস্তফা ইনিংসের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক শিমরন হেটমেয়ারকে ২০ রানে বোল্ড করে ধ্বংসলীলা শুরু করেন। শেষ ব্যাটসম্যান বিশুকে সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১১৫ রানের মধ্যে আটকে রাখার দায়িত্বটাও তিনি পালন করেন।

মাঝখানে লেগ স্পিনার ইমরান হায়দারের ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটসম্যানরা। এই লেগ স্পিনার ১৬ রান খরচায় চার উইকেট শিকার করে ।
শক্তিশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাত্র ৩৩.৪ ওভারে ১১৫ রানে গুটিয়ে গিয়ে আরব আমিরাতের সামনে জয়ের জন্য ১১৬ রানের লক্ষ্য দাঁড় করাতে সক্ষম হয়।

অল্প রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সংযুক্ত আরব আমিরাত। কেমার রোচ শুরুর তিন উইকেট নেওয়ার পর দুই স্পিনার নার্স এবং নিকিতা মিলার পরবর্তী সাত উইকেট শিকার করে আরব আমিরাতকে ৮৩ রানে অল আউট করে দেন।

নিকিতা মিলার ২০ রানের বিনিময়ে পাঁচ উইকেট শিকার করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচিয়ে ৩২ রানের জয় এনে দেন।

ফিচার ইমেজ – Icc-Cricket.com

Related Articles