Welcome to Roar Media's archive of content published from 2014 to 2023. As of 2024, Roar Media has ceased editorial operations and will no longer publish new content on this website.
The business has since evolved into Obsidian, an integrated creative studio focused on delivering insight driven campaigns, brand work, and creative production for brands and agencies.
To learn more about this transition, read our latest announcement here. To visit the new Obsidian website, click here.

ইয়েমেনে সৌদি যুদ্ধ বিমান বিধ্বস্ত

সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের একটি যুদ্ধ বিমান ইয়েমেনে বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানটি ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় নিযুক্ত ছিল। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম সৌদি প্রেস এজেনসি, এসপিএ গতকাল রবিবার এ সংবাদ জানিয়েছে।

চলুন জেনে নিই কীভাবে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং এতে কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে:

  • বার্তা সংস্থা এএফপির সাথে সাক্ষাৎকারে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে রবিবার আন্তর্জাতিক সময় সন্ধ্যা ৬:৪০ মিনিটে প্লেনটি ইয়েমেনে অভিযানস্থলে বিধ্বস্ত হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্লেনটিতে অবস্থিত দুই পাইলটই জীবিত ও অক্ষত আছে এবং তাদেরকে উদ্ধার করে সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সৌদি সামরিক কর্মকর্তা, পাশে টর্নেডো ফাইটার জেট; Source: FAYEZ NURELDINE/ AFP

  • সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এসপিএ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বিধ্বস্ত যুদ্ধ বিমানটি ছিল সৌদি আরবের মালিকানাধীন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পাইলট দুজনকে উদ্ধার করার জন্য বিমান এবং স্থল বাহিনীর সমন্বয়ে এক বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল।
  • অন্যদিকে, ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করেছে, প্লেনটি তাদের আক্রমণে বিধ্বস্ত হয়েছে। হুথি বিদ্রোহীদের সাবা এজেন্সি থেকে জানানো হয়,  বিদ্রোহীদের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ইয়েমেনের ‘সাদা’ প্রদেশের আকাশে গুলি করে বিমানটিকে ভূপাতিত করেছে। বিদ্রোহীদের দ্বারা পরিচালিত আল-মাসিরা টেলিভিশন থেকে জানানো হয়, বিধ্বস্ত প্লেনটি ছিল ব্রিটেনের তৈরি টর্নেডো ফাইটার জেট।
  • ২০১৪ সালের মাঝামাঝি থেকেই ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ চলছে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট আলি আব্দুল্লাহ সালেহ’র সাথে একত্রে মিলে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে নিলে গৃহযুদ্ধ ব্যাপক আকার ধারণ করে। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট মানসুর হাদির বাহিনীর সমর্থনে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন আরব জোট ইয়েমেনে বিমান হামলা শুরু করে।

  • সৌদি জোটের প্রবল বিমান হামলা এবং অবরোধের ফলে ইয়েমেনে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়। কিন্তু এত প্রবল আক্রমণ সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত রাজধানী সানাকে হুথি বিদ্রোহীদের হাত থেকে মুক্ত করা সম্ভব হয়নি। হুথি বিদ্রোহীদেরকে সাহায্য করার ব্যাপারে ইরানের প্রতি অভিযোগ আছে, যদিও ইরান তা অস্বীকার করে।
  • জাতিসংঘ ইয়েমেনের যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট সংকটকে গত ৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় হিসেবে উল্লেখ করেছে। জাতিসংঘের হিসেবে এখন পর্যন্ত ইয়েমেনে অন্তত ১০,০০০ মানুষ নিহত হয়েছে।

ফিচার ইমেজ- airlines.net

Related Articles