Welcome to Roar Media's archive of content published from 2014 to 2023. As of 2024, Roar Media has ceased editorial operations and will no longer publish new content on this website.
The business has since evolved into Obsidian, an integrated creative studio focused on delivering insight driven campaigns, brand work, and creative production for brands and agencies.
To learn more about this transition, read our latest announcement here. To visit the new Obsidian website, click here.

মোল্লা নাসিরুদ্দিন হোজ্জার খোঁজে

বাজার থেকে এক সের মাংস এনে স্ত্রীকে বললেন কাবাব বানাতে। স্ত্রী নিজেই সব আর দোষ দিলেন বিড়ালের। হোজ্জাও কম যান না, বিড়ালকে ধরে নিয়ে দাঁড়িপাল্লায় দিলেন, মেপে দেখা গেলো বিড়ালের ওজনও এক সের। হোজ্জা তার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন এই যদি বিড়াল হয় তবে মাংস কোথায়? আর এটাই মাংস হয় তবে বিড়াল কোথায়?

মধ্য এশিয়ায় এমনই এক চরিত্র হলেন মোল্লা নাসিরুদ্দিন হোজ্জা, তবে এই ব্যক্তির খ্যাতি ভারতবর্ষে মোটেও কম নয়। হোজ্জার নামের সাথেই শত সহস্র কিংবদন্তী মানুষের মুখে মুখে ঘুরে বেড়ায়। কখনো গোপাল ভাড়ের গল্পটাও নাসিরুদ্দিনের নামে দিব্যি চালান হয়ে যায় আবার কোথাও নাসিরুদ্দিনের গল্প মিশে যায় গোপাল ভাড়ের সাথে। এরজন্য কাউকে মোটেও দোষারোপ করা যায় না। লোককথার চরিত্রই এমন, চারদিক থেকে সে নিজেকে সমৃদ্ধ করে। সন্ধ্যার গল্পের আসরে কিংবা চায়ের কাপে বন্ধুদের সাথে রসিকতায় যে মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প কিংবা চুটকী বেঁচে আছে, সেই নাসিরুদ্দিন নামে কেউ কি ছিলেন এই পৃথিবীতে?

article

দিয়েত্রিচ ভন শলতিৎজ: প্যারিসের সত্যিকার নাকি স্বঘোষিত পরিত্রাতা?

উপরমহলের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে তার চেয়ে বাধ্য আর কেউ ছিলেন না। তার উপর রটারড্যাম, সেভাস্তোপোলকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা বাহিনীর অন্যতম নেতা ছিলেন দিয়েত্রিচ। সেইজন্যেই আরও পরাজয় অবশ্যম্ভাবী জেনেও শুধুমাত্র পারিকে শেষ করে দিতে হিটলার তাকে সামরিক প্রধান নির্বাচিত করে এখানে পাঠিয়েছিলেন। তাহলে এহেন দিয়েত্রিচ শেষমুহূর্তে নাৎসি সৈনিকের পেশাদারী নিষ্ঠুরতার চেয়ে মানবতাকে স্থান দিলেন কেন? ইউরোপীয় সংস্কৃতির অন্যতম পীঠস্থানকে শত্রুর গোলা থেকে বাঁচানোর পিছনে কোন নীতি কাজ করেছিল তার? শুধুই পারির প্রতি ভালবাসা নাকি বিবেকের তাড়না?

article

এসেক্স জাহাজ কিংবদন্তি: রোমাঞ্চ ও ট্র্যাজেডিতে ঠাসা এক দুঃসাহসিক সমুদ্রগাথা

ম্যাসাচুসেটসের নানটুকেট থেকে ১৮১৯ সালের ১৪ আগস্ট ২০ জন ক্রু-মেম্বার নিয়ে যাত্রা শুরু করে এসেক্স। ২৯ বছর বয়সী তরুণ নাবিক জর্জ পোলার্ডের পরিকল্পনা ছিল আড়াই বছর ধরে বিপুল পরিমাণ তিমি-তেল সংগ্রহ করে তবেই দেশে ফিরবেন। কিন্তু নিয়তির পরিকল্পনা ছিল অন্য কিছু!

article

সিনড্রোম কে: জীবন বাঁচানো এক রোগের গল্প

ইতালির ফাতিব্রেনেফ্রাতাইল্লি হাসপাতালের তিন চিকিৎক মিলে তৈরি করেছিলেন এই ভুয়া রোগ। উদ্দেশ্য- নাৎসিদের চোখে ধুলো দিয়ে, চিকিৎসার নাম করে আশ্রয়প্রার্থী ইহুদিদের জীবন বাঁচানো!

article

কেমন ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইউরোপ বিজয়ের মুহূর্তটি?

অনেক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের বরং নিশ্চিত করতে হচ্ছিলো, তাদের গুদামে যথেষ্ট মদ মজুদ আছে কিনা! ভরপেট পানাহারব্যতীত উদযাপন হয় নাকি!

article

ভাস্কর পণ্ডিত, আলীবর্দি খান ও নবাবী বাংলায় মারাঠা নির্মমতা

কুখ্যাত ‘বর্গী’ আক্রমণ নামে খ্যাত মারাঠাদের নির্মমতা যখন কোনভাবেই থামানো যাচ্ছিলো না- তখন আলীবর্দি খান কৌশলের আশ্রয় নিলেন।

article

জার্নেইল সিং ভিন্ড্রাওয়ালে: এক সশস্ত্র-বিদ্রোহী শিখ ধর্মগুরু

তিনি ও তার অনুসারীরা কৃপাণ বহনের শিখ-ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র বহন করতে লাগলেন। দশম গুরু গোবিন্দ সিং-এর ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে ভিন্ড্রাওয়ালে নিজে সূঁচালো তীর সাথে রাখতেন।

article

ইওয়াকুরা মিশন: যে কূটনৈতিক পদক্ষেপ জাপানকে বদলাতে শুরু করেছিল

ইউরোপ কোন জাদুবলে পুরো পৃথিবীতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্য করছে, তা ভালোভাবে বুঝতে জাপান সরকার ‘ইওয়াকুরা মিশন’ প্রেরণ করেন। এই মিশনের পর জাপান বদলে গিয়েছিলো।

article

আকবরের বিরুদ্ধে বৈরাম খানের বিদ্রোহ ও দুঃখজনক মৃত্যু

বৈরাম খান হয়তো আকবরের ঘনিষ্ট লোকদের মনের কথা ঠিকমতো পড়তে পেরেছিলেন। আর এ কারণেই সম্ভবত তিনি তাদের আকবরের আশেপাশে ঘেষতে দিতে চাইতেন না। তবে সম্পূর্ন একা অবস্থায় আকবর যেভাবে সবকিছু সামলে নিয়েছিলেন, তা দেখে যেতে পারলে বৈরাম খান নিশ্চয়ই গর্ববোধ করতেন।

article

খান-ই-খানান বৈরাম খান: অভিভাবক থেকে বিদ্রোহী হয়ে ওঠার গল্প

যদিও বৈরাম খানকে পদচ্যুত করার সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলেন আকবরই, তবে আকবরকে সিদ্ধান্তটি নিতে প্ররোচনা দিয়েছিলো আকবররেই ঘনিষ্ঠ কিছু লোকজন। প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের এই শিকড়টা ছিলো অনেক গভীরে। এই ষড়যন্ত্র বৈরাম খানকে তো ধ্বংস করবেই, সেই সাথে খোদ আকবরকেই গিলে খেতে চেষ্টা করবে!

article

বেলা চাও: যুদ্ধ এবং ভালোবাসার গান

২০১৭ সালের পর থেকে নতুন করে জনপ্রিয়তা পাওয়া ‘বেলা চাও’ গানটিকে অনেকেই হয়তো চেনেন নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় স্প্যানিশ সিরিয়াল ‘লা কাসা দে পাপেল’ এ ব্যবহৃত গান হিসেবে। ঐ সিরিয়ালে গানটি বেশ কয়েকবার ব্যবহৃত হয়েছে, যার মধ্যে দর্শকদের কাছে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে প্রথম সিজনের শেষ পর্বের একেবারে শেষ দৃশ্যে সিরিয়ালটির প্রধান দুই চরিত্র, দ্য প্রফেসর এবং বার্লিনের গলায় গাওয়া গানটি। কিন্তু বাস্তবে ‘বেলা চাও’ গানটির ইতিহাস আরও অনেক পুরানো।

article

End of Articles

No More Articles to Load