Welcome to Roar Media's archive of content published from 2014 to 2023. As of 2024, Roar Media has ceased editorial operations and will no longer publish new content on this website.
The company has transitioned to a content production studio, offering creative solutions for brands and agencies.
To learn more about this transition, read our latest announcement here. To visit the new Roar Media website, click here.

লা মিজারেবল: প্রকট সামাজিক বৈষম্য আর অপূর্ব এক ভালোবাসার গল্প

মনীষীরা আজীবন সাম্যের গান গেয়ে চললেও বাস্তব চিত্রটা কিন্তু বেশ ভিন্ন। এই পৃথিবীর কিছু মানুষ যেখানে অঢেল ঐশ্বর্যের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে, সেখানেই আবার কিছু মানুষ দুবেলা দুমুঠো অন্ন যোগাড় করতে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করছে। কেউ যেখানে অতি সুখে বিতৃষ্ণা ধরে যাওয়ায় আত্মহত্যা করছে, সেখানে কিছু মানুষ খাবারের অভাবে মারা যাচ্ছে। আবহমানকাল ধরে হয়ে আসা এই চরম বৈষম্যকে মূল উপজীব্য করে তুমুল জনপ্রিয় ফরাসি ঔপন্যাসিক ভিক্টর হুগো ‘লা মিজারেবল’ নামক এক অসাধারণ উপন্যাস রচনা করেন, যা সর্বকালের অন্যতম সেরা উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত। 

অনূদিত ‘লা মিজারেবল’ বইয়ের প্রচ্ছদ; Image Source: rokomari.com 

উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র জাঁ ভালজাঁ এক হতভাগ্য ব্যক্তি। অল্প বয়সে বাবা-মাকে হারিয়ে বড় বোনের সংসারে মানুষ হতে হয়েছিল তাকে। তবে সাত সন্তানকে নিয়ে গঠিত বিরাট সংসার চালাতে গিয়ে তার বোনকেও বেশ হিমশিম খেতে হতো। তাই অভাবের যাতনা সেখানে বেশ ভালোভাবেই ছিল। জাঁ ভালজাঁ যখন পঁচিশ বছরের যুবক, তখন আচমকা তার ভগ্নীপতি মারা যাওয়ায় এতগুলো সন্তান নিয়ে তার বোন অথৈ সাগরে পড়ে যায়।

নিজের চূড়ান্ত দুঃসময়ে যে বোনের আশ্রয়ে জাঁ ভালজাঁ আশ্রয় পেয়েছিলো, সেই বোনের দুঃসময়ে সেই সংসারের সব দায়ভার নিজের কাঁধে তুলে নেয় সে। সারাদিন হাড়ভাঙা পরিশ্রমের মাধ্যমে জঙ্গলে গাছ কেটে সেই সংসার কোনোমতে চালিয়ে নিচ্ছিলো সে। কিন্তু শীতে সবার ঘরেই পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঠ মজুদ থাকায় উপার্জনের সেই পথটাও বন্ধ হয়ে গেলো। আশেপাশে যত বাড়ি আছে, তার সবগুলোতে গিয়ে অনেক কাকুতি-মিনতি করলো জাঁ ভালজাঁ, কিন্তু কোথাও কিছু হলো না। এদিকে ক্ষুধার জ্বালায় তার বোন আর ভাগ্নে-ভাগ্নিরা প্রায় মরতে বসেছিলো, এতগুলো মানুষকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে সে রুটি চুরি করার সিদ্ধান্ত নিলো।

কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সেই রুটি চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে গেলো জাঁ ভালজাঁ। সেই সময়ে ফ্রান্সের বিচার ব্যবস্থা ছিল অতি বেশি নির্দয়, ফলে সামান্য রুটি চুরির দায়ে তার পাঁচ বছরের জেল হয়ে গেল! রায় শুনে সে পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যায়, সমাজের প্রতি চলে আসে প্রচণ্ড বিতৃষ্ণা। এই সমাজ গরীবকে কাজ দিতে পারে না, ক্ষুধার্তকে অন্ন দেয় না, কিন্তু নিতান্ত পেটের দায়ে যদি চুরি করে, তাকে নির্মম শাস্তি দিতে মুহূর্ত দেরি করে না।

সেই সময়ে ফ্রান্সের কয়েদীদের অমানবিক কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হতো। সারাদিন সমুদ্রগামী জাহাজে দাঁড় টানা আর রক্ষীদের চাবুকের আঘাত সইতে না পেরে দণ্ডবাসের চতুর্থ বছরে সবকিছুর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে পালিয়ে যায় সে। ভাগ্য অবশ্য এবারো তার সহায় হয়নি, দু’দিন পরেই ধরা পড়ে যায় সে। পালানোর জন্য তার সাজার মেয়াদ আরো তিন বছর বাড়িয়ে দেওয়া হলো। কিন্তু তার মাথায় যেন জেদ চেপে গেল, বারবার পালাতে লাগলো সে। এভাবে মোট চারবার পালাতে গিয়ে প্রতিবারই ধরা পড়ে যাওয়ায় তার দণ্ডের মেয়াদ বেড়ে দাঁড়ায় উনিশ বছরে। সাতাশ বছর বয়সের সেই তরতাজা যুবক মুক্তি পেল ছেচল্লিশ বছরের প্রৌঢ় হয়ে।     

জেল থেকে বের হয়েও বিভ্রাট থেকে মুক্তি পেলো না জাঁ ভাঁলজাঁ, তখনকার ফরাসি সমাজে জেলখাটা কয়েদীদের এতটাই ঘৃণা করা হতো যে টাকার বিনিময়ে সামান্য খাবার যোগাড় করতে ব্যর্থ হয় সে। তখন তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন বিশপ মিরিয়েল, তার ভালোবাসার স্পর্শ পেয়ে জাঁ ভালজাঁর পাথর হয়ে যাওয়া হৃদয় আবারো কোমল হয়। বিশপের কাছ থেকে পাওয়া রূপার থালা-চামচ বিক্রি করে পাওয়া অর্থ থেকে ব্যবসা করে অল্প সময়েই বেশ নামকরা ধনী হয়ে যায় সে। তবে অবস্থার পরিবর্তন হলেও তার অতীত সে ভুলে যায়নি, তাই কেউ সাহায্যের জন্য হাত পাতলে তাকে সবটুকু উজাড় করে দিয়েই সাহায্য করতো সে।

এমনই এক সময়ে ফাঁতিন নামের এক কুমারী মায়ের সাথে দেখা হয় জাঁ ভালজাঁর, ফাঁতিন যখন মৃত্যুশয্যায় তখন তার মেয়ে কোজেতের দায়িত্ব নেওয়ার কথা দেয় সে। কিন্তু সেই কথা রাখার আগেই তার জীবনে নেমে আসে আরেক বিপর্যয়, জেল থেকে মুক্তি পেয়ে নিজের অজান্তে করা এক ভুলের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়ে যায় তার। কিন্তু ফাঁতিনের সেই এতিম মেয়েটির কথা ভেবে এবারো পালিয়ে যায় সে, সৌভাগ্যক্রমে এবার ধরা পড়তে হয়নি তাকে। 

থেনারদিয়েরের বাসায় অত্যাচারিত কোজেত; Image Source: France24

পরিচয় আত্মগোপন করে সে কোজেতকে সাথে নিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করে। বহুবছর ধরে নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করা জাঁ ভালজাঁ কোজেতকে নিজের কন্যাসম স্নেহে বড় করতে শুরু করে। এই মেয়েটিই তার জীবনের সবকিছু হয়ে যায়। তবে প্রকৃতির নিয়মানুসারে একদিন তার মেয়েও বড় হয়ে যায়, ভালোবেসে বিয়ে করে মারিয়াস নামক এক যুবককে। বিয়ের পর এমনিতেই তার কাছ থেকে কিছুটা দূরে চলে গিয়েছিল কোজেত, একসময়ে মারিয়াস জাঁ ভালজাঁকে ভুল বোঝায় সেই দূরত্ব অসীম আকার ধারণ করে। সবকিছু হারিয়ে যে মেয়েকে কেন্দ্র করে জীবন সাজিয়েছিল সে, সেই মেয়েটির দূরে চলে যাওয়ার কষ্ট সহ্য করতে না পেরে শয্যাশায়ী হয়ে যায় জাঁ ভালজাঁ। প্রচণ্ড কষ্ট নিয়ে পৃথিবীকে বিদায় জানানোর অপেক্ষা করতে থাকে সে। তার জীবনের এই অন্তিম পর্যায়ে কোজেত কি আসবে একটিবারের জন্য তার সাথে দেখা করতে? নাকি বুকভরা কষ্ট নিয়ে একাকী সে বিদায় জানাবে এই পৃথিবীকে? 

নানা চড়াই-উৎরাই আর টানটান উত্তেজনার মাঝে অসাধারণভাবে এই উপন্যাসের কাহিনী টেনে নিয়ে গেছেন ভিক্টর হুগো। আকারে বিশাল এই উপন্যাসে অসংখ্য চরিত্রের আগমন ঘটেছে, প্রতিটি চরিত্রই গল্পকে টেনে নিতে ভূমিকা রেখেছে।

জাঁ ভালজাঁ

পুরো গল্পের মূল কাহিনী এই জাঁ ভালজাঁকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। সারাজীবন নিদারুণ কষ্টের মাঝে পার করলেও নিজের ভেতরের সত্ত্বাকে সে নষ্ট হতে দেয়নি। পুরো উপন্যাস জুড়ে সে যে মহানুভবতা প্রদর্শন করেছে, তা এককথায় অবিশ্বাস্য। যে পুলিশ অফিসার জ্যাভার তাকে ধরার জন্য উঠে-পড়ে লেগেছিল, তাকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানোটাই প্রমাণ করে, মানুষ হিসেবে সে ঠিক কতটা মহান ছিল।

তার চরিত্রের আরেকটা বড় গুণ ছিল নির্লোভ থাকা। মারিয়াস যখন তাকে ভুল বুঝলো, তখন সে চাইলেই নিজের আসল পরিচয় দিয়ে মারিয়াসের ভুল ভাঙাতে পারতো, কিন্তু তখন তার নীরব থাকাটা তার চরিত্রের এই গুণটিকেই ফুটিয়ে তোলে। এছাড়া পুরো উপন্যাস জুড়েই অসাধারণ কর্তব্যজ্ঞানের পরিচয় দিয়ে গেছে সে। আর এসব গুণের কারণেই জাঁ ভালজাঁ চরিত্রটি বিশ্ব সাহিত্যে অমর হয়ে আছে।

কোজেত

স্থায়িত্বকাল বিচারে জাঁ ভালজাঁর পরেই কোজেতের অবস্থান হলেও দৃঢ়তার দিক থেকে চরিত্রটি বেশ দুর্বল ছিল। এই চরিত্রটির সাথে বাচ্চাদের খেলার পুতুলের মিল পাওয়া যায়। আশেপাশে যা-ই ঘটে যাক না কেন, পুতুলের যেমন সেসব ব্যাপারে কিছু বলার থাকে না– কোজেত চরিত্রটিও ঠিক তেমনই ছিল। সে যেখানেই ছিল সেখানকার পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে সব নীরবে মেনে নিয়েছে। মারিয়াসকে নিজের মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসলেও বাবার মতের বিরুদ্ধে গিয়ে মারিয়াসকে বিয়ের করার কথা সে বলতে পারেনি। আবার মারিয়াসের সাথে বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর যখন তার স্বামী বাবার পথে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাঁধার সৃষ্টি করলো, তখন তারও প্রতিবাদ সে করেনি। চরিত্রটির নির্লিপ্ততার সাথে তাই কাঠের পুতুলই উপযুক্ত উপমা হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।  

মারিয়াস 

মারিয়াস চরিত্রটি একইসাথে ভালোবাসা ও বিদ্রোহের প্রতীক। নিজের বাবার অপমান সহ্য করতে না পেরে ধনী নানার বাড়ি ছেড়ে যাওয়াটা তার চরিত্রের বিদ্রোহী সত্ত্বার প্রমাণ। সেই একই মানুষ কোজেতকে ভালোবেসে পাগল হয়ে তাকে পাওয়ার জন্য সবকিছু করেছে। তবে বেশকিছু সময়ে চরিত্রটি কিছুটা হঠকারী আচরণ করে অবিবেচকের মতো কাজ করেছে। বিশেষ করে করে বৃদ্ধ জাঁ ভালজাঁর ব্যাপারে সবকিছু ভালোভাবে না জেনেই নিজের মনমতো পুরো পরিস্থিতি সাজিয়ে নেওয়ার ফলেই শেষের দিকে সমস্ত জটিলতার সৃষ্টি হয়।

থেনারদিয়ের

পৃথিবীতে জাঁ ভালজাঁর মতো অসাধারণ মানুষ যেমন থাকে, তেমনি তার বিপরীত মেরুর মানুষও থাকে। এমনই একজন মানুষ ছিল এই থেনারদিয়ের। পুরো উপন্যাসে তার মধ্যে কোনো ভালো গুণের দেখা পাওয়া যায়নি। বাচ্চা কোজেতকে মোটা টাকার বিনিময়ে নিজের কাছে রাখলেও সেই শিশুকে সঠিক পরিচর্যা করার বদলে শিশু নির্যাতন উপহার দিয়েছে সে। মানুষের মৃত্যুর সময়ে তাকে না বাঁচিয়ে সেই মৃতপ্রায় মানুষের কাছ থেকে টাকা চুরির মতো নিকৃষ্ট কাজও সে করেছে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে- সম্পূর্ণ নেতিবাচক এই মানুষটি খারাপ কাজ করতে গিয়েই নিজের অজান্তে বেশকিছু ভালো কাজ উপন্যাসে করে গেছে।  

জ্যাভার

পেশায় পুলিশ অফিসার জ্যাভারের জীবনের প্রধান ও একমাত্র মূলনীতি ছিল সততা। তার কাছে পুরো পৃথিবী দুই ভাগে বিভক্ত। একভাগে সাধারণ মানুষ, আর অন্যভাগে অপরাধীরা। সে বিশ্বাস করে, অপরাধী মানেই বিদ্রোহী, তাদের কোনো ভালো গুণ থাকতে পারে না। সে কারণেই জাঁ ভালজাঁর মতো অসাধারণ এক মানুষকে সামান্য এক অপরাধের জন্য মনে-প্রাণে ঘৃণা করে সে। কোনো কিছুর প্রতি অতিরিক্ত বিশ্বাস যে নেতিবাচক ফল বয়ে আনে, তার আদর্শ উদাহরণ ছিল জ্যাভার।

এছাড়াও বিশপ মিরিয়েল, থেনারদিয়েরের স্ত্রী, ফাঁতিন, এপোনাইনসহ প্রচুর চরিত্রের উপস্থিতি, তাদের বিশ্বাস, বেঁচে থাকার সংগ্রাম, ষড়যন্ত্র, ভালোবাসা ইত্যাদি সব মিলিয়ে কাহিনী যে গতিশীলতা লাভ করেছে, তা যেমন শ্বাসরুদ্ধকর, ঠিক তেমনই হৃদয়বিদারক।

তৎকালীন ফ্রান্সের কিছু সামাজিক আইনের কুপ্রভাব যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে, তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ছিল এই ‘লা মিজারেবল’। ১৮৬২ সালে বেলজিয়াম থেকে একযোগে ন’টি ভাষায় প্রথম প্রকাশিত হওয়ার পর এর প্রথম প্যারিস সংস্করণ মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ফুরিয়ে গিয়েছিল। এই উপন্যাস যখন প্রকাশিত হয়, তখন নেপোলিয়নের অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করায় লেখক ভিক্টর হুগো ছিলেন নির্বাসিত, তাই স্বাভাবিকভাবেই উপন্যাসটি ঠিক কতটা জনপ্রিয় হয়েছে, সে ব্যাপারে তার তেমন কোনো ধারণা ছিল না। 

বিভিন্ন সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে সবসময় সরব ছিলেন ঔপন্যাসিক ভিক্টর হুগো; Image Source: France24

‘লা মিজারেবল’ ছাপা হওয়ার কয়েক বছর পর ভিক্টর হুগো তার বেলজিয়ান প্রকাশককে চিঠি লিখেন, যাতে কেবল বড় করে ‘?’ চিহ্নটি আঁকা ছিল। আসলে এই চিহ্নের মাধ্যমে তিনি জানতে চেয়েছিলেন তার উপন্যাস কেমন চলছে। জবাবে প্রকাশকও বড় করে ‘!’ চিহ্ন এঁকে পাঠিয়ে দেন অর্থাৎ বিস্ময়কর রকমের চলছে। এই দুটি চিঠি বিশ্বের সংক্ষিপ্ততম চিঠি হিসেবে খ্যাত হয়ে আছে।

শুধু পাঠকমহল নয়, সমালোচকদের মনও জয় করেছিলো ‘লা মিজারেবল।’  এই উপন্যাসের শেষ দৃশ্য পড়ে বিখ্যাত ব্রিটিশ কবি আলফ্রেড টেনিসন হুগোকে ‘লর্ড অফ হিউম্যান টিয়ার্স’ আখ্যা দিয়েছিলেন। জর্জ মেরেডিথের মতে, এটি ছিল সেই শতাব্দীর সেরা উপন্যাস। ওয়াল্টার প্যাটারের বিচারে দান্তের সেই বিখ্যাত ডিভাইন কমেডির মতোই এক মহান শিল্পকর্ম ‘লা মিজারেবল।’ 

আমি এই ক্ষুদ্র জীবনে যত বই পড়েছি, তন্মধ্যে ‘লা মিজারেবল’ই শ্রেষ্ঠ। তৎকালীন ফরাসি সমাজে চলা কিছু প্রকট সমস্যা লেখক এই উপন্যাসে যেভাবে তুলে ধরেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। অনবদ্য এই উপন্যাসটির বাংলা অনুবাদ বেশ কিছু প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে। মূল উপন্যাসটি প্রায় ১৬০০ পৃষ্ঠার হলেও বেশ কিছু প্রকাশনী মূল নির্যাস বজায় রেখে কিছুটা সংক্ষিপ্ত আকারে অনুবাদ প্রকাশ করেছে। পাঠকরা তাদের সুবিধামত যেকোনো প্রকাশনী থেকে বইটি সংগ্রহ করে পড়ে ফেলতে পারেন।  

বইয়ের নাম: লা মিজারেবল || লেখক: ভিক্টর হুগো

অনলাইন প্রাপ্তিস্থান: রকমারি.কম

This is a Bangla article. It is a review of world famous novel Les Misérableses or La Miserable written by Victor Hugo.

Featured Image: Marlowe Theatre

RB/AC

Related Articles