Welcome to Roar Media's archive of content published from 2014 to 2023. As of 2024, Roar Media has ceased editorial operations and will no longer publish new content on this website.
The business has since evolved into Obsidian, an integrated creative studio focused on delivering insight driven campaigns, brand work, and creative production for brands and agencies.
To learn more about this transition, read our latest announcement here. To visit the new Obsidian website, click here.

পৌরাণিক তিনটি উপন্যাস (দ্বিতীয় পর্ব): উপন্যাসের পাতায় রাধা-কৃষ্ণের প্রেম

প্রথম দেখাতেই রাধার প্রেমে মাতোয়ারা হয়ে যায় কৃষ্ণ। রাধার প্রেম আমূল বদলে দেয় কৃষ্ণকে। দুঃসাহসিক রাখালের খোলস ছেড়ে কৃষ্ণ হয়ে উঠে একজন চঞ্চল প্রেমিক। তারপর প্রেম নিবেদন, প্রত্যাখান, সমর্পণ, প্রণয়— যেসব নিয়ে তৈরি হয় কিংবদন্তি রাধা-কৃষ্ণের প্রেম কাহিনী।

article

শ্যাম সিংহ রায়: মধ্যরাতের জ্যোৎস্নায় রাঙা বিদ্রোহী কবিতা

রোজিদের বাইরে বের হওয়া বারণ। তারা উৎসবে নাচবে, মনোরঞ্জন করবে, ফের অঘোষিত জেলে বন্দী থাকবে। শেকল ভাঙার নেশায় মত্ত শ্যাম রোজির জন্য উন্মুখ! 

article

পৌরাণিক তিনটি উপন্যাস (প্রথম পর্ব): ‘শকুন্তলা’ উপাখ্যান থেকে উপন্যাসে

বিচলিত দেবতারা স্বর্গ থেকে মেনকা নামের অপরূপ সুন্দরী এক অপ্সরাকে পাঠায় বিশ্বামিত্রের কাছে, বিশ্বামিত্রকে তপস্যা থেকে নিবৃত করাই ছিল তার উদ্দেশ্য। মেনকার স্বর্গীয় সৌন্দর্যে বিশ্বামিত্র প্রলুব্ধ হন।

article

দ্য পাওয়ার অফ দ্য ডগ: পুরুষত্ব, কর্তৃত্ব আর প্রতিশোধের গল্প

চরিত্রদের মাঝে কর্তৃত্ব নিয়ে টানাপোড়নকে পরিচালকের সিগনেচার বলা চলে। কার হাতে কর্তৃত্বের ব্যাটন আছে, তা কিভাবে হারায় এবং এটি ফিরে পাওয়ার জন্য ঐ চরিত্র কি করে; এসব ব্যাপার তার পরিচালনায় বারবার ঘুরেফিরে এসেছে। দ্য পাওয়ার অফ দ্য ডগেও আমরা এই থিমটি অবলোকন করি।

article

২৫শে মার্চ: তিন শতকের টাইমফ্রেম মিলিয়ে দেওয়া থ্রিলার

‘পঁচিশে মার্চ’ মূলত একটি ঐতিহাসিক থ্রিলার। গল্পের শুরুই হয় মূলত সিপাহী বিদ্রোহের সময়কার আন্টাঘর ময়দান দিয়ে। আন্টাঘর ময়দান ঘুরে গল্পে কখনও পঁচিশে মার্চের কালরাত্রি আবার কখনও বর্তমান সময়ের প্লটও ঘুরপাক খেয়েছে।

article

গ্রেট রোমেরো’র হারিয়ে যাওয়া ছবি ‘দ্য অ্যামিউজমেন্ট পার্ক’— একটি পরাবাস্তবিক দুঃস্বপ্ন

জর্জ এ. রোমেরোর ৫২ মিনিটের এই সিনেমা পুরোপুরিই নিরীক্ষাধর্মী। সমাজে বৃদ্ধদের কেমন কোণঠাসা করা হয়, অবহেলা আর অবমূল্যায়নের বেড়াজালে ছুঁড়ে ফেলা হয়; তা নিয়েই বক্তব্য প্রদানকারী এবং হৃদয় নিংড়ে দেবার মতো সিনেমা এটি। মেটাফোরে ঠাসা। তাদের বয়সের সকল সমস্যাগুলোকে, তাদের প্রতি সমাজের/যুবকদের ব্যবহারকে এক একটা রাইডের কিংবা অ্যামিউজমেন্ট পার্কের নানান ঘটনার রূপকে উপস্থাপন করা হয়।

article

আমরা একটি সিনেমা বানাবো: সিনেমা ম্যাজিক! সিনেমা জীবন!

পৃথিবীর যাবতীয় দুঃখ কষ্টের শেষ নির্যাসটুকু ঋত্বিক ঘটক এসে মদের বোতলে ঢেলে না দেয়া পর্যন্ত সিনেমার পরিসমাপ্তিতে অসম্পূর্ণতা থাকার সম্ভাবনার কথা যুবক আফসোসের সুরে জানায়।

article

ব্রেকিং ব্যাড সিরিজের অজানা কিছু দিক

সিরিজের ইতিহাসে সবচেয়ে সেরা এপিসোড হিসেবে ধরা হয় ব্রেকিং ব্যাড সিরিজের পঞ্চম সিজনের ১৪ নম্বর এপিসোড ‘Ozymandias’ কে। ১০/১০ রেটিং প্রাপ্ত এই এপিসোডে IMDb মোট ভোট সংখ্যা ১২৪৩০০ এর উপরে। কিন্তু এই এপিসোডের নাম ‘Ozymandias’ দেওয়া হয়েছিল কেন? Ozymandias মূলত প্রাচীন মিশরের ফারাও ‘রামেসিস দ্য সেকেন্ড’ এর গ্রিক নাম। ১৮১৭ সালে ব্রিটিশ মিউজিয়ামে রামেসিস দ্য সেকেন্ডের ৬০০ বছরের পুরনো এক স্ট্যাচুর ইনক্লুশন উপলক্ষ্যে বিখ্যাত ইংরেজ কবি পার্সি শেলী ‘Ozymandias’ কবিতাটি লিখেন।’Ozymandias’ সনেটে এক পথিকের গল্প বলা হয়; যে কি-না ধু ধু মরুভূমির মাঝে মৃতপ্রায় এক নগরীর মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় হটাৎ মাটিতে পতিত ফারাওয়ের এক বিশালাকার ভাঙা মূর্তির দেখা পায়।

article

বেলফাস্ট: এক আইরিশ মধ্যবিত্ত পরিবারের সংগ্রামের গল্প

হঠাৎ করে হাসিখুশি পরিবেশটা পরিণত হয়ে যায় রণক্ষেত্রে। রঙিন ছবি থেকে সাদাকালোতে চলে আসা যেন শুধু সময়ের ব্যবধানই দেখাচ্ছিল না। ছবির মতো সুন্দর শহরে যে একটা কুৎসিত রূপও লুকিয়ে আছে, সেটাও যেন বুঝিয়ে দিচ্ছিল।    

article

বাগসি: রোমান্সের আদলে ইতিহাসের অন্যতম কুখ্যাত গ্যাংস্টারের জীবনী

বাগসিতে ক্যাপোলা বা মারিও পুজোর চেয়ে ভিন্ন ধারার গ্যাংস্টার সিনেমা নির্মাণে ব্রতী হয়েছেন ব্যারি এবং টোবাক। এই ধারার বেশিরভাগ সিনেমাতে যেখানে ইতালিয়ান আমেরিকানদের দেখা যায়, সেখানে এই মুভির বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রই ইহুদি।

article

কোলেটেরাল বিউটি: মৃত্যুতেও সৌন্দর্য খুঁজতে শেখায় যা

পুরো মুভি জুড়ে হাওয়ার্ড একবারও তার মৃত মেয়ের নাম মুখে আনতে পারেননি। শেষদিকে এসে তিনি ছল ছল চোখে প্রথমবার মেয়ের নামটি একবার মুখে আনে। হাওয়ার্ডের সেই চোখের পানি দিয়েই যেন দীর্ঘদিন জমিয়ে রাখা সব দুঃখ, সব ব্যথা, সব আর্তনাদ নিমেষেই ঝরে পড়েছে।

article

End of Articles

No More Articles to Load