করোনা ভাইরাস, হুয়াওয়ে ও ফাইভ-জি: কেমন হতে যাচ্ছে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ রাজনীতি (৩য় পর্ব)

[পূর্ববর্তী পর্বের পর থেকে]

করোনা প্রতিরোধ এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে চীনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ছিল তথ্যপ্রযুক্তি। প্রায় ১ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন জনগোষ্ঠীর বৃহৎ এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার এবং মৃত্যুর সংখ্যা ৩ হাজারের অধিক; যা ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বেশ কম। প্রথম করোনা সনাক্তকরণের পরপরই চীন সরকার এই প্রাদুর্ভাবকে তথ্য-প্রযুক্তির সাহায্যে মোকাবেলা করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

বিশ্বে করোনা আক্রান্ত দেশগুলোর শতকরা হার
Image: Nerdist

5G প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে অসংখ্য পর্যবেক্ষণীয় ক্যামেরা, রোবট এবং মোবাইল অ্যাপ থেকে ডাটা সংগ্রহ করে তা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যে এনালাইসিস করে চীন খুব দ্রুত করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের আলাদা করতে পেরেছে। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তার জন্য চীন জনবহুল স্থানগুলোতে মানুষের মাস্ক পরা এবং শরীরের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে 5G দ্বারা চালিত টহল রোবট ব্যবহার করছে। এতে টহল পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটা হ্রাস পেয়েছে।

ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার বিশেষজ্ঞ অ্যাভানটেকের (Advantech) প্রযুক্তি ব্যবহার করে গুয়াংজু গোসুনক রোবট সংস্থা (Guangzhou Gosuncn Robot Company) এই রোবটগুলি তৈরি করেছে। যেহেতু ম্যানুয়ালি শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করতে গেলে তা অনেকক্ষেত্রে নিরাপত্তা কর্মীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়, তাই এই রোবটগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে হাই-রেজুল্যুশনের ক্যামেরা এবং ইনফ্রারেড থার্মোমিটার। যা পাঁচ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে একই সাথে দশ জন ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করতে পারে।

কোনো ব্যক্তির শরীরে উচ্চ তাপমাত্রা বা মাস্কের অনুপস্থিতি পাওয়া গেলে রোবটগুলি সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একটি সংকেত বার্তা প্রেরণ করে। এছাড়া প্রতি মুহূর্তে ধারণকৃত ডাটা পরবর্তীতে এনালাইসিস করার জন্যে একটি সার্ভারে জমা হয়। যদিও এই রোবটগুলো পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে, কিন্তু চাইলে এগুলোকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এতে টহল সংক্রান্ত জটিলতা হ্রাস পায় এবং ক্রস-ইনফেকশন প্রতিরোধ করা যায়। এখন অবধি এই রোবটগুলো গুয়াংজু, সাংহাই, শি’য়ান এবং গুইয়াংয়ের মতো শহরগুলির বিমানবন্দর এবং শপিংমলে মোতায়েন করা হয়েছে।

করোনায় ব্যবহৃত চীনের রোবট এবং সফটওয়্যার
Image: Automation World

সিমেন্স এবং অউকমা প্রতিষ্ঠান দু’টি গত ফেব্রুয়ারিতে বুদ্ধিমান জীবাণুনাশক রোবট তৈরি করা শুরু করে। চীনের কিংদাওতে অবস্থিত সিমেন্সের গবেষণা গ্রুপের প্রধান ইউ কিউ এই প্রজেক্টটি শুরু করেন। চীনের কিছু হাসপাতালে জীবাণুনাশক রোবটগুলির জরুরি প্রয়োজন পড়ছে- এমন একটি সংবাদের ভিত্তিতে তিনি এই উদ্যোগ শুরু করেন। একটি নতুন ধরণের বুদ্ধিমান জীবাণুমুক্ত রোবট তৈরি করতে তিনি দ্রুততর সময়ে ব্যবস্থাপনা এবং সহকর্মীদের কাছ থেকে সমর্থন পেয়েছেন। যদিও আগে থেকেই চীনের বাজারে সহজলভ্য এ ধরনের কিছু রোবট পাওয়া যায়, কিন্তু সেগুলো বেশিরভাগ পেট্রোলচালিত হওয়ায় বেশ ব্যয়বহুল এবং ঝামেলাপূর্ণ। তাই সিমেন্সের এই দলটি এসব হসপিটালের জন্য বিদ্যুৎ চালিত রোবট তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়।

এই রোবট তৈরির ক্ষেত্রে তারা প্রধান যে চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হয়েছে, তা হলো- যন্ত্রের মধ্যে জীবাণুনাশক লিকুইড দেওয়ার সাথে সাথে প্রায় শতভাগ জীবাণুমুক্তকরণের চেষ্টা এবং খুব ছোট এরিয়ার মধ্যে ৩৬০ ডিগ্রি কভারেজ তা ছড়িয়ে দেওয়া। লিথিয়াম ব্যাটারি দ্বারা চালিত একটি রোবট এক ঘন্টায় ২০,০০০ থেকে ৩৬,০০০ বর্গমিটার এলাকা জীবাণুমুক্ত করতে পারে। রোবটের উপরে থাকা একটি ক্যামেরা এর চারপাশের রিয়েল-টাইম ভিডিও এবং তথ্য একটি ডাটাবেজে পাঠিয়ে দেয়। যা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যে এনালাইসিস করে কোন জায়গাগুলো বেশি ঝুঁকির মধ্যে আছে তা সনাক্ত করতে সাহায্য করে। এ ধরনের রোবট হাসপাতালের বাইরেও বিভিন্ন স্কুল, অফিস, ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি এবং অন্যান্য পাবলিক জায়গায় স্থাপনের জন্য চীন সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।

এছাড়া চীনের সবচেয়ে বড় ই-কর্মাস প্লাটফর্ম আলীবাবা জানুয়ারিতে দু’টি অ্যাপ চালু করে। যার মাধ্যমে হুবেই অঞ্চলে করোনায় লকডাউনে থাকা মানুষজন অনলাইনে ডাক্তারদের সাথে মেডিকেল কনস্যালটেন্সির সুযোগ পাচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্যদিকে আলীবাবার রিসার্চ ইউনিট একটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এলগোরিদম তৈরি করেছে, যার মাধ্যমে সিটি স্ক্যান (Computerized Tomography) থেকে প্রাপ্ত ইমেজকে বিশ্লেষণ করে মাত্র বিশ সেকেন্ডে বলা সম্ভব কোন ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত। এখন পর্যন্ত এই এলগোরিদমের একুরেসি রেট ৯৬%। চীনের ১৬টি অঞ্চলের প্রায় ২৬টি হসপিটালে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এবং আর কিছুদিনের মধ্যে করোনা সনাক্তকরণের জন্য আরো ১০০ হসপিটালে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

বাইডু (Baidu) চীনে সর্বাধিক ব্যবহৃত নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন। এর মাধ্যমে তারা প্রায় ১৫ মিলিয়ন মানুষের কাছ থেকে করোনা সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা নিয়েছে এবং প্রায় ১ লক্ষ চিকিৎসকের সাহায্যে সেসবের উত্তর দিয়েছে। এছাড়া তারা জিন টেস্টিং এজেন্সি, মহামারী নিয়ন্ত্রণ সেন্টার এবং রিসার্চ ইন্সটিটিউটগুলোর জন্য ‘লিনিয়ারফোল্ড’ (LinerFold) নামে একটা এলগোরিদম তৈরি করেছে। যা তাদেরকে এই ভাইরাসের জীনগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে এবং এর ভ্যাক্সিন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। 

প্রতিষ্ঠানটির হেলথ কেয়ার ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার ইয়ং মিংলু বলেন, “এই মহামারীটির জরুরি অবস্থা অনলাইন চিকিৎসাসেবা বা মেডিকেল স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি বড় চাহিদা তৈরি করছে। বর্তমানে মহামারী রোধে প্রয়োজনীয় তথ্য এবং তাৎক্ষনিক পেষাদার স্বাস্থ্যসেবা পেতে সাধারণ মানুষজন ব্যাপকহারে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।” 

চীনে করোনার মতো মহামারীর বিস্তার রোধে ব্যবহৃত এসব প্রযুক্তির পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে উচ্চমানের ইন্টারনেট ব্যবস্থা। চীনের সবচেয়ে উন্নত বেইজিং এবং সাংহাই সহ প্রায় পঞ্চাশটি শহরে ২০১৯ সালের শেষে ১ লক্ষ ৩০ হাজার 5G বেস স্টেশন চালু করা হয়। যেটি পুরো বিশ্বের মধ্যে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এই বেস স্টেশনে যেসব নেটওয়ার্ক ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে তার অধিকাংশ হুয়াওয়ের। ফলে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, চীনে করোনা প্রতিরোধে যেসব প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন অ্যাপ, ক্লাউড সিস্টেম, রোবট ইত্যাদি তৈরি করছে তাদের প্রত্যেকের পেছনে হুয়াওয়ের ভূমিকা রয়েছে।

করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ আরও সঠিকভাবে এবং দ্রুত নির্ণয়ের জন্য চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন গত ৪ ফেব্রুয়ারি কম্পিউটার টমোগ্রাফিকে (CT) তাদের ক্লিনিকাল ডায়াগোনসিস স্ট্যান্ডার্ডে অন্তর্ভূক্ত করে। সিটি স্ক্যান একধরনের মেডিকেল ইমেজিং পদ্ধতি, যা কম্পিউটারের সাহায্যে বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে নেওয়া এক্স-রে রিপোর্টকে একসাথে করে একটা নির্দিষ্ট ইমেজ তৈরি করে। এটি মূলত স্ক্যান করা বস্তুর একটি ক্রস সেকশনাল ইমেজ, যার ফলে কোন বস্তুকে বাস্তবে কাটা বা বিভক্ত করা ছাড়াই এর ভেতরের অংশগুলোর ইমেজ তৈরি করা যায়।

কোভিড-১৯ এর ডায়গোনসিস এবং চিকিৎসার জন্য সিটি স্ক্যান খুবই কার্যকর এবং দ্রুত পদ্ধতি। কিন্তু ফুসফুসে প্রচুর পরিমাণে ক্ষত এবং ভাইরাসটির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে খুব অল্প সময়ের মধ্যে একাধিকবার পুনঃপরীক্ষা করা এবং ইমেজগুলোর রিভিউ করা ডাক্তারদের কাজের চাপ প্রচন্ডরকম বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে এরকম ডাক্তারের সংখ্যাও খুব বেশি নয়, যারা সঠিকভাবে এই ইমেজ বিশ্লেষণ করে দেখতে পারেন। ফলে কোভিড-১৯ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে একটি উভয় সংকট তৈরি হয়।

এই সমস্যার সমাধানের জন্য হুয়াওয়ে ক্লাউড টিম, হুয়াজন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (Huazhong University of Science & Technology) এবং ল্যানওন টেকনোলজি (Lanwon Technology) আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যে একটি নতুন ধরনের মেডিকেল ইমেজিং এনালাইসিস পদ্ধতি তৈরি করে। এ পদ্ধতিতে কম্পিউটার ভিশন এবং মেডিকেল ইমেজিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে খুব দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে ডাক্তাররা সিটি স্ক্যানের রেজাল্ট পেতে পারে। হুয়াওয়ের অ্যাসেন্ড সিরিজের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স চিপ ব্যবহৃত এ প্রযুক্তি পূর্বের ম্যানুয়াল সিস্টেমের চাইতে প্রায় ১২ গুণ বেশি দ্রুত এবং নির্ভুল। ফলে এটা সিটি স্ক্যানের নির্ভুল ফলাফলের জন্য ডাক্তার স্বল্পতা এবং তাদের কাজের চাপ অনেকাংশে কমিয়ে দিয়েছে। নিচের ছবিতে দেখা যাচ্ছে- প্রথম সারিতে সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে সংগ্রহকৃত ডাটা এবং দ্বিতীয় সারিতে তা এনালাইসিস করে প্রাপ্ত ইমেজ, যার সাহায্যে সহজে কোভিড-১৯ সনাক্ত করা যায়।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যে হুয়াওয়ের সিটি স্ক্যান এনালাইসিস
Image: Huawei Blog

বিশ্বজুড়ে করোন ভাইরাস প্রতিরোধে শুধুমাত্র চীন তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, তা নয়। দক্ষিণ কোরিয়া এবং সিঙ্গাপুর সম্ভাব্য সংক্রমণ সনাক্ত করতে মোবাইল ফোনের সাহায্যে লোকেশন ট্রাক করছে। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের আলাদা করার জন্য রাশিয়া ফেসিয়াল রেকগনিশন টেকনোলজি ব্যবহার করছে। ইসরায়েল তাদের পূর্বে ধারণকৃত লোকেশনের ডাটাবেজ থেকে ডাটা নিয়ে সংক্রমিত ব্যক্তিদের গতিপথ এনালাইসিস করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র করোনা প্রতিরোধে তাদের নীতিনির্ধারকদের সহায়তা করার জন্য জনসাধারণের বক্তিগত তথ্য ব্যবহার বিষয়ে বিবেচনা করা শুরু করেছে। এছাড়া জনস্বাস্থ্যের সহায়তায় কী ধরনের ডেটা (Data) এবং সরঞ্জাম ব্যবহার করা যেতে পারে তা নির্ধারণের জন্য গুগল, ফেসবুক, ক্লিয়ারভিউ এআই, প্যালান্টিরসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর সাথে কাজ করছে।

অন্যদিকে এ সংকটময় পরিস্থতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশসহ যুক্তরাষ্ট্রও তার অন্যতম বাণিজ্য প্রতিপক্ষ চীন থেকে তাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগত সহায়তা নেওয়ার ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছে। গত ২৭ মার্চ এক টুইটার বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন,

“এইমাত্র চীনের প্রেসিডেন্ট শি’র (Xi Jinping) সাথে আশাব্যঞ্জক কথোপকথন শেষ হলো। আমাদের বর্তমান বিশ্বের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি করোনা ভাইরাসের ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এই ভাইরাসের ব্যাপারে চীনের জানা-শোনা এবং গবেষণা ব্যাপক। তাই একসাথে কাজ করতে আমরা সম্মত হয়েছি। তাদের প্রতি অশেষ সম্মান!”

[এরপর দেখুন শেষ পর্বে]

তথ্যসূত্র:
১। https://www.wired.com/story/us-feds-battle-against-huawei/?itm_campaign=BottomRelatedStories_Sections_4
২। https://www.nytimes.com/2020/03/27/business/china-coronavirus-masks-tests.html
৩। https://spectrum.ieee.org/view-from-the-valley/at-work/tech-careers/coronavirus-is-triggering-fear-of-going-to-work
৪। https://www.energyupdate.com.pk/2020/03/27/the-coronavirus-outbreak-could-lead-to-rising-demand-for-it-products-huawei-ceo-ren-zhengfei/
৫। https://www.scmp.com/tech/tech-leaders-and-founders/article/3076939/founder-ren-says-huawei-working-round-clock-amid/
৬। https://www.theregister.co.uk/2020/03/26/huawei_back_at_90_percent_capacity/
৭। https://www.lightreading.com/asia/even-covid-19-cant-stop-huawei-says-founder/a/d-id/758501
৮। SLAVOJ ŽIŽEK: My Dream of Wuhan, অনুবাদ: কাজী তাফসিন
৯। https://www.prothomalo.com/economy/article/1437696/ 

Featured Image: Global Village Space

Related Articles

Exit mobile version