Welcome to Roar Media's archive of content published from 2014 to 2023. As of 2024, Roar Media has ceased editorial operations and will no longer publish new content on this website.
The business has since evolved into Obsidian, an integrated creative studio focused on delivering insight driven campaigns, brand work, and creative production for brands and agencies.
To learn more about this transition, read our latest announcement here. To visit the new Obsidian website, click here.

নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ভ্যান আক্রমণের পর সাময়িকভাবে বন্ধ হোয়াইট হাউজ

  • শুক্রবার বিকেলে হোয়াইট হাউজ সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
  • নিকটবর্তী একটি নিরাপত্তা বেষ্টনীতে একটি ভ্যান আঘাত করলে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা হিসেবে হোয়াইট হাউজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
  • কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ছাড়াই শেষপর্যন্ত গাড়ির ড্রাইভারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
  • ঘটনাটির জন্য ড্রাইভারের মানসিক অবস্থাকে দায়ী করা হচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউজের নিকটবর্তী একটি নিরাপত্তা বেষ্টনী লক্ষ্য করে গাড়ি নিয়ে আঘাত করায় এক মহিলা ড্রাইভারকে আটক করেছে সিক্রেট সার্ভিস। হোয়াইট হাউজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঘটনার সাথে সাথে হোয়াইট হাউজ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি, এবং ড্রাইভারকে গ্রেপ্তার করতে কোনো গুলিও চালাতে হয়নি বলে জানিয়েছে সিক্রেট সার্ভিস।

গতকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল তিনটায় একটি সাদা শেভ্রলে ভ্যান ইচ্ছাকৃতভাবে হোয়াইট হাউজের পশ্চিম দিকের একটি নিরাপত্তা বেষ্টনী লক্ষ্য করে ছুটে যায়। তবে ভ্যানটি বেষ্টনী ভেদ করে হোয়াইট হাউজ এলাকায় প্রবেশ করতে পারেনি। সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবেই ড্রাইভারকে আটক করতে সক্ষম হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ভ্যানটি ছুটে এসে নিরাপত্তা বেষ্টনীর উপর আছড়ে পড়ে এবং বেষ্টনী ভেদ করে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় চাকার ঘর্ষণে প্রচন্ড ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। মাত্র ত্রিশ সেকেন্ডের মধ্যেই হোয়াইট হাউজের নিরাপত্তাকর্মীরা  ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং কোনো গোলাগুলি ছাড়াই ভ্যানের চালককে ভেতর থেকে বের করে নিয়ে আসেন।

সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, ভ্যানের ড্রাইভার হচ্ছেন জেসিকা ফোর্ড নামের ৩৫ বছর বয়সী একজন মহিলা। সিক্রেট সার্ভিস তাকে আগে থেকেই চেনে। এর আগে গত বছরের এপ্রিল মাসে তিনি একবার নিরাপত্তা বেষ্টনী টপকে হোয়াইট হাউজ প্রাঙ্গণে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। পরবর্তীতে জুলাই মাসে আবারও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যখন তিনি হোয়াইট হাউজের নিকটে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করেছিলেন।

সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, তাদের ধারণা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বা হোয়াইট হাউজের অন্য কোনো কর্মকর্তার উপর আক্রমণ করার কোনো উদ্দেশ্য মিস ফোর্ডের ছিল না। তারা ঘটনাটির জন্য প্রাথমিকভাবে মিস ফোর্ডের মানসিক অবস্থাকে দায়ী করেন। তার বিরুদ্ধে নতুন করে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হবে বলেও জানিয়েছে সিক্রেট সার্ভিস।

ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজের অভ্যন্তরেই ছিলেন। সে সময় তিনি অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলের সাথে বৈঠক করছিলেন। নিরাপত্তার জন্য এ সময় হোয়াইট হাউজের কিছু কর্মকর্তাকে উপরের তলাগুলো থেকে সরিয়ে ভূগর্ভস্থ অধিকতর নিরাপদ কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় নিরাপত্তা কর্মীদেরকে ধন্যবাদ জানান।

ফিচার ইমেজ- NBC NEWS

Related Articles