Welcome to Roar Media's archive of content published from 2014 to 2023. As of 2024, Roar Media has ceased editorial operations and will no longer publish new content on this website.
The business has since evolved into Obsidian, an integrated creative studio focused on delivering insight driven campaigns, brand work, and creative production for brands and agencies.
To learn more about this transition, read our latest announcement here. To visit the new Obsidian website, click here.

যেভাবে থেমে গিয়েছিল চারশ বছরের পাল শাসন

প্রাচীন বাংলা অঞ্চলে পাল শাসন প্রতিষ্ঠা প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। শত বছরের রাজনৈতিক শূণ্যতা ও অরাজকতাপূর্ণ সময় “মাৎস্যন্যায়” যুগ পেরিয়ে জনজীবনে এক প্রকার স্বস্তি এনেছিল পাল শাসন। পালদের শাসনাধীন এলাকা যদিও বেশিরভাগ সময়ই খুব বেশী বড় ভূখন্ডজুড়ে ছিল না কিংবা পুরোটা সময় নিরবচ্ছিন্ন কিংবা শক্তিশালী সাম্রাজ্য হিসেবেও টিকে ছিল না,  তারপরেও বাংলা অঞ্চলের রাজনৈতিক ইতিহাসের পট পরিবর্তনের সাথে পাল বংশের ইতিহাস খুবই অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। সুদীর্ঘ চারশ বছর ধরে কখনও প্রবল প্রতাপে আবার কখনো খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে টিকে থাকা পাল শাসন কিভাবে হারিয়ে ফেলেছিল তাদের চারশো বছরের সাম্রাজ্য?

article

এসপেরান্তো: বিশ্বের সর্বাধিক প্রচলিত কৃত্রিম ভাষা

এমন কিছু ভাষাও রয়েছে, যেগুলো প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়নি। বরং মানুষ নিজেরাই সেগুলোকে পরিকল্পিতভাবে সৃষ্টি করেছে। এসব ভাষাকে বলা হয় পরিকল্পিত বা কৃত্রিম ভাষা। আর এমন ভাষার মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত যে ভাষাটি, সেটির নাম এসপেরান্তো। সারা বিশ্বে প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ এ ভাষায় কথা বলে থাকে। তাই এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কথিত মানবসৃষ্ট ভাষা।

article

স্ট্রোইটেল পৃপিয়াত: চেরনোবিল দুর্ঘটনায় বিলীন হয়েছিল যে ফুটবল ক্লাব

শ্রমিকদের জন্য নির্মিত কোনো স্টেডিয়াম উদ্বোধন করার জন্য এর চেয়ে ভালো কোনো দিন হতে পারে না। কিন্তু দুর্ভাগ্য ছিল স্ট্রোইটেল পৃপিয়াতের। দুর্ভাগা ছিলেন ক্লাবের ফুটবলার। তাদের জন্য নির্মিত নতুন স্টেডিয়ামে খেলার সুযোগ হয়নি। তার আগেই ঘটে ইতিহাসের অন্যতম বড় এক দূর্ঘটনা।

article

অ্যানি বেসান্ট, ভূতপ্রেত চর্চা ও ভারতীয় জাতীয়তাবাদ

প্রেতবিশারদ ও থিওসোফিস্ট অ্যানি বেসান্টের প্ল্যানচেট চর্চা শুধু অলৌকিক জগৎ নিয়ে সীমিত ছিলো না, ভারতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখেছিলো। বিশেষ করে ধর্মীয় পুনর্জাগরণে তার অবদান অপরিসীম।

article

পরিখার ভেতর কেমন ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ

পরিখার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থেকে ডায়রিয়া, ম্যালেরিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হয়ে সৈনিকদের মৃত্যুবরণ করার খবরও অস্বাভাবিক ছিলো না। এসব কিছুর মাঝেও সৈনিকদের নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখতে হতো, যাতে অন্তত বন্দুকের সাথে যুদ্ধের আগে পানির সাথে যুদ্ধ করে মরতে না হয়!

article

রোহিঙ্গা রঙ্গ ২: ইউনিয়ন অব বার্মার স্বাধীনতা এবং গৃহযুদ্ধ কাতরতা (১৮২২-১৯৮৮)

ঐতিহাসিকভাবেই বার্মায় বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারিরা বরাবর রাজাদের আনুকূল্য পেয়ে অভ্যস্ত। কিন্তু ব্রিটিশরা ধর্মের ব্যাপারে নিরপেক্ষতা বজায় রেখেছিল। বরং বৌদ্ধদের চেয়ে আরাকানি মুসলিম আর কারেন খ্রিস্টানদের প্রতি তাদের আস্থা ছিল বেশি।

article

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহার হওয়া অদ্ভুত সব প্রযুক্তি

রাইফেল, মেশিন গান, ট্যাঙ্কার, কামানের পাশাপাশি সে সময় এমন সব প্রযুক্তির ব্যবহার হতো, যেগুলোর কথা বর্তমানের প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চিন্তা করতে গেলে নিতান্তই হাস্যকর মনে হবে।

article

লজ্জা এড়াতে যেভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগ দিচ্ছিলো ব্রিটিশ পুরুষেরা

যারা যুদ্ধে যোগ দিতো না বা চলাচলে যুদ্ধের পোশাক থাকতো না, তাদের সবাইকে জনসম্মু খে এই সাদা পালক ধরিয়ে দেয়া হতো। এই লজ্জা থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য হলেও অনেকে যুদ্ধে যোগ দিচ্ছিলেন।

article

প্রেসিডেন্ট এন্ড্রু জ্যাকসন ও মার্কিন আদিবাসী উৎখাত নীতি

১৮৩০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলো উচ্ছেদের আইন পাশ করেন। উদ্বাস্তু আদিবাসীদের দুর্দশা ও মৃত্যু ইতিহাসে ‘ট্রেইল অব টিয়ারস’ নামে কুখ্যাত।

article

স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের জন্ম হলো যেভাবে (শেষ পর্ব)

মজার ব্যাপার হলো, ১৯৯৪ সালের আগ পর্যন্ত স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের টহলরত সদস্যরা আগ্নেয়াস্ত্র বহন করতেন না। পরবর্তীকালে বিভিন্ন সময় পুলিশদের ওপর বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে কর্তৃপক্ষ পুলিশ সদস্যদের আত্মরক্ষার্থে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেয়। এখনো লন্ডনের ৯০ শতাংশ মেট্রোপলিটন পুলিশ সদস্য বন্দুক ছাড়াই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন।

article

স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের জন্ম হলো যেভাবে (প্রথম পর্ব)

কোনো আইনি কাঠামো ছাড়াই সরকারের ওপর মহল থেকে কোনো ব্যক্তি বিশেষকে এ কাজে নিযুক্ত করা হতো। এদেরকে ‘থিফ টেকার’ বলা হতো। কোনো এলাকায় অপরাধ ঘটলে অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধীকে ধরিয়ে দেওয়া ও চুরির মালামাল ফিরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে পুরস্কৃত হতেন তারা।

article

End of Articles

No More Articles to Load